ইরানের গোপন সামরিক ঘাঁটিতে কি পৌঁছাতে পেরেছে আমেরিকা? জানুন সর্বশেষ আপডেট

 


মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতির দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের; ‘মূল ঘাঁটি এখনো অক্ষত’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সামরিক স্থাপনার কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির সামরিক মুখপাত্রদের মতে, শত্রুপক্ষের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অত্যন্ত ‘সামান্য’ এবং ইরানের প্রকৃত সামরিক শক্তি ও কৌশলগত সরঞ্জামগুলো এখনো সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছে।

ইরানের পাল্টা বক্তব্য ও কৌশল: খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, পশ্চিমা দেশগুলো যেসব কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে, সেগুলো ইরানের মূল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি দাবি করেন, ইরানের কৌশলগত সামরিক সরঞ্জাম এমন সব গোপন স্থানে উৎপাদিত ও সংরক্ষিত হয়, যার হদিস শত্রুপক্ষ কখনোই পাবে না। মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের মূল শক্তিকে এমনভাবে বিকেন্দ্রীভূত করে রেখেছে যা যেকোনো আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বাইরে।

ট্রাম্পের দাবি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট: এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে দাবি করেছিলেন যে, ইরানের নৌ ও বিমান বাহিনী প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে। তবে তেহরান এই দাবিকে ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের মূল প্রতিরক্ষা ব্যূহ এখনো অটুট এবং তারা যেকোনো বড় ধরনের স্থল বা আকাশ অভিযান প্রতিহত করতে সক্ষম। এই পাল্টাপাল্টি দাবির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post