ইস্ফাহানে বড় বিস্ফোরণ ও পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস; ট্রাম্পের বয়ানে ইরান অভিযানের সর্বশেষ

 


দ্রুত যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিত ট্রাম্পের; ফ্রান্সের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহারের অসহযোগিতার অভিযোগ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান খুব বেশিদিন স্থায়ী হবে না। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা এবং পারমাণবিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস করছে। কাজ শেষ হলেই মার্কিন বাহিনী সেখান থেকে সরে আসবে এবং এর ফলে হরমুজ প্রণালি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে’ পুনরায় উন্মুক্ত হয়ে যাবে।

আকাশসীমা নিয়ে ফ্রান্সের সাথে উত্তেজনা: অভিযানের সফলতার দাবির পাশাপাশি ট্রাম্প ফ্রান্সের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানান, ইসরায়েলে যাওয়ার পথে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেয়নি ফ্রান্স। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প একে ‘অসহযোগিতামূলক আচরণ’ হিসেবে অভিহিত করেন। রয়টার্সের তথ্যমতে, ইরানের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে চালানো অভিযানের সময় ফ্রান্স এই বাধা প্রদান করে, যা চলমান সংকটে প্যারিসের প্রথম কোনো সরাসরি নেতিবাচক পদক্ষেপ।

সামরিক লক্ষ্য ও বর্তমান পরিস্থিতি: ট্রাম্পের মতে, ইস্ফাহান শহরের কাছে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই অভিযানের ফলে দেশটিতে ইতিমধ্যে একটি ‘পরিবর্তিত পরিস্থিতি’ তৈরি হয়েছে। গত ৩১ দিন ধরে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা চলছে, যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে অন্যান্য দেশগুলো নিজ উদ্যোগে এই পথ সচল করতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তবে ফ্রান্সের এই নতুন অবস্থান ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ ফাটলকেও স্পষ্ট করে তুলেছে।

Post a Comment

Previous Post Next Post