গণভোটের রায় কার্যকর ও সংবিধান সংশোধনে গুরুত্ব দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক জটিলতা নিরসনে আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করতে হলে অবশ্যই আগে সংবিধানে যথাযথ সংশোধন আনতে হবে। তাঁর মতে, রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে নয়, বরং সংবিধান ও আইনের শাসনের ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অধিবেশনে গণভোটের ত্রুটিপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরে বলেন, ব্যালটে আচমকা চারটি জটিল প্রশ্ন যুক্ত করায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। এছাড়া এসব প্রশ্নের জন্য আলাদা কোনো ‘হ্যাঁ/না’ অপশন না থাকায় বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে আইনি ও সাংবিধানিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আদালত এই গণভোটের কিছু অংশকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার বিষয়ে রুল জারি করেছে। সংসদ এমন কোনো আইন প্রণয়ন করতে পারে না যা ভবিষ্যতে আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে বাতিল হয়ে যায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, গণভোটের রায় অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হলে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের পাশাপাশি আগে সংবিধান সংশোধন করা জরুরি। তিনি বিরোধী দলের নেতাদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে আলোচনা করেই সংবিধান সংশোধনের বিল সংসদে তোলার সময়সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর প্রতিটি শব্দকে সম্মান জানিয়েই সরকার সাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্র পরিচালনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়েও দ্রুত বিশেষ কমিটিতে আলোচনা শুরু হবে বলে তিনি অবহিত করেন।