ঈদযাত্রায় স্বস্তি: জ্বালানি তেল বিক্রিতে সব ধরনের বিধিনিষেধ উঠে যাচ্ছে
আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে যানবাহনে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত রেশনিং বা বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ৬ মার্চ থেকে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে যে সীমাবদ্ধতা দেওয়া হয়েছিল, তা শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) সরকারের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শেষে এই ইতিবাচক সংকেত পাওয়া গেছে।
জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধের আতঙ্কে সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কেনা শুরু করলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং বড় যানবাহনে নির্দিষ্ট পরিমাণ তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু এতে করে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন, চরম ভোগান্তি এবং বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এমনকি দেশের অনেক পাম্প তেলশূন্য হয়ে পড়ার খবরও পাওয়া গেছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং বিপিসি (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন)-এর কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের সুবিধার্থে গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য তেলের রেশনিং তুলে দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছে যে তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে, তাই আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রয়োজন নেই। পাম্প মালিকদের ধর্মঘটের হুমকি এবং জনগণের ভোগান্তি কমাতে আগামীকাল থেকেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। রেশনিং উঠে গেলে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে এবং পাম্পগুলোতে মোতায়েনকৃত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর চাপও কমে আসবে।