ইরানের পানি সরবরাহ কেন্দ্র ও বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা; বড় মানবিক বিপর্যয়ের শঙ্কা
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ এখন সরাসরি বেসামরিক অবকাঠামো ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর আঘাত হানছে। গত কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের খুজেস্তান প্রদেশসহ বেশ কয়েকটি শহরে দফায় দফায় শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলায় সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদার ওপর বড় ধরনের আঘাত এসেছে।
মূল লক্ষ্যবস্তু ও ক্ষয়ক্ষতি: এদিনের সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাটি চালানো হয়েছে খুজেস্তান প্রদেশের হাফতগেল এলাকায়। সেখানে ১০ হাজার ঘনমিটার (প্রায় ১ কোটি লিটার) ধারণক্ষমতার একটি বিশাল পানি সরবরাহ কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা বর্ষণ করা হয়েছে। যুদ্ধের এই পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি সরবরাহ কেন্দ্র ধ্বংস হওয়াকে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া রাজধানী তেহরানেও গত ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়েছে, যার ফলে শহরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি: বেসামরিক স্থাপনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, যেহেতু তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে, তাই এখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে। এই পাল্টাপাল্টি হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের শিক্ষা ও সেবা খাতের নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে।