ইরানের জ্বালানি তেল ও খারগ দ্বীপ দখলের ঘোষণা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে ইরানের জ্বালানি সম্পদ এবং দেশটির প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রকাশ্য ইচ্ছা ঘোষণা করেছেন। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড অর্থাৎ তেলের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপনই এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
ভেনেজুয়েলা মডেলের প্রতিফলন: ট্রাম্প ইরানের এই পরিস্থিতিকে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারিতে কারাকাসে সামরিক অভিযান চালিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে সস্ত্রীক নিউ ইয়র্কে বন্দি করার পর থেকে ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প মনে করেন, ইরানের ক্ষেত্রেও একই কৌশল অবলম্বন করা সম্ভব এবং এটিই হবে তার ‘সবচেয়ে পছন্দের কাজ’।
খারগ দ্বীপ ও সামরিক পরিকল্পনা: ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ যেখান থেকে হয়, সেই কৌশলগত খারগ দ্বীপে মার্কিন সেনা মোতায়েনের ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। দ্বীপটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে উপহাস করে তিনি বলেন, ইরানের সেখানে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়ার সক্ষমতা নেই এবং যুক্তরাষ্ট্র খুব সহজেই এটি দখল করতে পারে। সমালোচকদের ‘বোকা’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রয়োজনে সেখানে মার্কিন বাহিনীকে কিছুদিন অবস্থান করতে হতে পারে। ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা এবং সরাসরি ভূখণ্ড দখলের এক নতুন আশঙ্কার জন্ম দিয়েছে।