ইসলামাবাদ শান্তি বৈঠক: দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলে থাকছেন যারা
পাঁচ সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া ‘ইসলামাবাদ শান্তি বৈঠক’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। আগামী শনিবার (১১ এপ্রিল) অনুষ্ঠাতব্য এই ঐতিহাসিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং আয়োজক দেশ পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব অংশগ্রহণ করছেন।
বৈঠকের সম্ভাব্য প্রতিনিধি তালিকা:
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল: মার্কিন দলের নেতৃত্ব দিতে পারেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাবেক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার। এছাড়াও সামরিক দিক পর্যালোচনার জন্য সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইরানের প্রতিনিধি দল: তেহরানের পক্ষে আলোচনার নেতৃত্ব দেবেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তাঁর সাথে থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ মাজিদ তখত-রাভানচি।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী দল: আয়োজক হিসেবে থাকছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং আইএসআই (ISI) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিক।
আলোচনার সংকট ও পটভূমি: ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের পর এই প্রথম দুই দেশ সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসছে। তবে লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক ভয়াবহ হামলা এই বৈঠকের সাফল্যকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইতোমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে এই শান্তি আলোচনা ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়বে। মূলত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করাই এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য।