ইরানের ৬ বিলিয়ন ডলার কি ফেরত দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? রয়টার্সের চাঞ্চল্যকর তথ্য ও হোয়াইট হাউসের অস্বীকার

 


ইরানি অর্থ ছাড় নিয়ে ধোঁয়াশা: রয়টার্সের দাবি ও হোয়াইট হাউসের প্রত্যাখ্যান

ইসলামাবাদে চলমান শান্তি আলোচনার মাঝেই ইরানের জব্দ করা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ফেরত পাওয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। রয়টার্স এক প্রতিবেদনে ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা অর্থ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

ঘটনার মূল বিষয়সমূহ:

  • রয়টার্সের দাবি: ইরানি সূত্রের তথ্যমতে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থ ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এই অর্থ মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকে আটকে ছিল এবং পরে কাতারে স্থানান্তরিত করা হয়।

  • হোয়াইট হাউসের অবস্থান: পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন এমন কোনো চুক্তিতে এখনো পৌঁছায়নি এবং অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

  • প্রেক্ষাপট: ২০২৩ সালে বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে এই অর্থ ছাড়ার কথা থাকলেও ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র তা পুনরায় স্থগিত করেছিল। বর্তমানে ইসলামাবাদে শনিবার (১১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই ৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত পাওয়া ইরানের অন্যতম প্রধান দাবি।

যুক্তরাষ্ট্র বা কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না আসায় বিষয়টি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এই অর্থ ছাড়ের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে ইসলামাবাদ বৈঠকের ভবিষ্যৎ এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা।

Post a Comment

Previous Post Next Post