মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট? আরও ১০ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর নীল নকশা পেন্টাগনের

 

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি; আলোচনার মাঝেই যুদ্ধের মেঘ

মধ্যপ্রাচ্যে একদিকে যখন ইরানের সাথে শান্তি আলোচনার কথা চলছে, অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন যুদ্ধের জন্য অতিরিক্ত সামরিক শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে আরও ১০ হাজার স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। এই সম্ভাব্য বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক পদাতিক সেনা এবং শক্তিশালী সাঁজোয়া যান অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও বর্তমান অবস্থা: ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের প্রায় ৫ হাজার মেরিন সেনা এবং ২ হাজার প্যারাট্রুপারকে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে। পেন্টাগনের নতুন এই ১০ হাজার সেনার পরিকল্পনা কার্যকর হলে অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এক বিশাল মাত্রায় পৌঁছাবে। মূলত ইরানকে আলোচনার টেবিলে নমনীয় করতে এবং প্রয়োজনে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতেই এই অগ্রিম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শান্তি বনাম যুদ্ধের দ্বিমুখী নীতি: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রকাশ্যে শান্তি ও চুক্তির কথা বললেও পেন্টাগনের এই তৎপরতা যুদ্ধের ভিন্ন এক সংকেত দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ১০ দিনের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের যে মেয়াদ দেওয়া হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যেই ইরানকে চাপে রাখতেই এই সেনাবিন্যাস। যদি কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়, তবে এই অতিরিক্ত সেনাবহর সরাসরি স্থল অভিযানে অংশ নিতে পারে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে নিয়ে যাবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post