সেনাবাহিনী আর নিতে পারছে না!’—ইসরায়েলি সেনাপ্রধানের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি

Gemini said


ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’—সৈন্য সংকটে সেনাপ্রধান ও বিরোধী দলের চরম হুঁশিয়ারি

বহুমুখী যুদ্ধের প্রচণ্ড চাপে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) বর্তমানে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। দেশটির সামরিক নেতৃত্ব ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একযোগে সতর্ক করে জানিয়েছে যে, তীব্র সৈন্য সংকট এবং সুনির্দিষ্ট রণকৌশলের অভাবে সেনাবাহিনী এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে। বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ এবং সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির উভয়েই এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতির কথা প্রকাশ্যে এনেছেন।

সংকটের মূল কারণসমূহ: সেনাপ্রধান এয়াল জামির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বর্তমানে তার সক্ষমতার শেষ সীমায় পৌঁছেছে। বর্তমানে সংরক্ষিত সৈনিকরা (Reserve Soldiers) টানা পঞ্চম বা ষষ্ঠ দফায় ডিউটি পালন করছেন, যার ফলে তারা চরম ক্লান্ত ও বিপর্যস্ত। লেবানন সীমান্ত, পশ্চিম তীর, গাজা এবং সিরিয়ায় একযোগে অভিযান চালাতে গিয়ে আইডিএফ-এর জনবল এখন অপর্যাপ্ত। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পর্যাপ্ত সৈন্য ছাড়াই এই বহুমুখী যুদ্ধে জড়ানোয় সেনাবাহিনীর চেইন অফ কমান্ড ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সমাধান ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব: এই সংকট মেটাতে বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ আল্ট্রা-অর্থোডক্স ‘হারেদি’ সম্প্রদায়কে বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের দাবি তুলেছেন। ১৯৪৮ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে তারা সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতি পেয়ে আসলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের যুদ্ধে পাঠানো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। যারা এই নিয়ম অমান্য করবে, তাদের সরকারি অর্থায়ন বন্ধ এবং সেনা পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়েছেন লাপিদ। মূলত অভ্যন্তরীণ এই বিশৃঙ্খলা ও সৈন্য অভাব ইসরায়েলের সামরিক শক্তিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।


Post a Comment

Previous Post Next Post