ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ ও হাইফা বন্দরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের সামরিক সক্ষমতার ওপর বড় ধরনের আঘাত হানার দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পূর্ব ভূমধ্যসাগরে অবস্থানরত ইসরায়েলি সামরিক জাহাজ এবং হাইফা বন্দরে অবস্থিত যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ট্যাংকে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
হামলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: ইরানের সেনা সদর দপ্তরের দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েলের সামরিক রসদ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিতেই এই সুনির্দিষ্ট অভিযান চালানো হয়েছে। হাইফা বন্দর ইসরায়েলের জন্য একটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, যেখানে যুদ্ধবিমানের জ্বালানি মজুত থাকে। আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা যেকোনো আগ্রাসনকারী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর এবং বর্তমান অভিযানের মাধ্যমে তারা সেই শক্তিমত্তারই জানান দিয়েছে।
আঞ্চলিক প্রভাব: ভূমধ্যসাগরের মতো উন্মুক্ত জলসীমায় ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজে হামলার এই দাবি পুরো অঞ্চলের নৌ-নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এর ফলে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান ছায়াযুদ্ধ এখন সরাসরি সম্মুখ সমরে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাইফা বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বিস্ফোরণের খবর আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ও জাহাজ চলাচলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এই হামলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।