ইরানের জন্য ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা; যুদ্ধের তীব্রতা কমানোর ইঙ্গিত ও কূটনৈতিক তৎপরতা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইরানকে একটি ১৫ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার (২৫ মার্চ) টেনেসি সফরকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, তিনি বর্তমানে সামরিক অভিযানের মাত্রা ‘ধীরে ধীরে কমিয়ে আনছেন’। তবে একই সাথে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, তেহরান যদি দ্রুত হরমুজ প্রণালির অবরোধ না তোলে, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।
আলোচনা ও মধ্যস্থতার চেষ্টা: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের সাথে বর্তমানে ইতিবাচক আলোচনা চলছে, যদিও ইরানি কর্মকর্তারা এখনো এই দাবিকে সরাসরি ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরোধ মেটাতে বিশ্বজুড়ে মধ্যস্থতাকারী দেশের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশর এই শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে আগ্রহী। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন যে, উভয় পক্ষ রাজি থাকলে পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য আলোচনার আয়োজন করতে পাকিস্তান প্রস্তুত।
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও মোদীর ফোনালাপ: এই সংকটকালীন মুহূর্তে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। একদিকে যখন যুদ্ধের ময়দানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে, অন্যদিকে তখন বড় বড় শক্তিশালী দেশগুলো শান্তি ফেরাতে এক টেবিলে বসার চেষ্টা করছে। তবে ট্রাম্পের এই ১৫ দফা প্রস্তাবের কঠোর শর্তগুলো ইরান মেনে নেবে কি না, তার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা।