ইসরায়েলে ক্লাস্টার বোমা ও বাহরাইনের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা; সংঘাতের নতুন ধাপে মধ্যপ্রাচ্য
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এক ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সরাসরি সংঘর্ষ এখন পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইরান বাহরাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় শক্তিশালী হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ছোঁড়া ক্লাস্টার বা গুচ্ছ-বোমা বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে, যা ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
রণক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১২০০ ছাড়িয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা এখন অভিযানের ‘পরবর্তী ধাপে’ প্রবেশ করেছে, যার মূল লক্ষ্য ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা ও সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা। এমনকি লেবাননের রাজধানী বৈরুতকেও গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল।
ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি ও ইরানের জবাব: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচনে তিনি সরাসরি যুক্ত থাকতে চান। তিনি মুজতবা খামেনিকে অযোগ্য নেতা হিসেবে অভিহিত করে সতর্ক করেছেন যে, নতুন কোনো নেতা পুরনো নীতি অনুসরণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সংঘাত অনিবার্য। এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ট্রাম্পের সামরিক ও কূটনৈতিক সব পরিকল্পনাই ব্যর্থ হবে। একের পর এক জ্বালানি স্থাপনা ও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে ইরান তাদের কঠোর অবস্থানের জানান দিচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে।